অশান্তি ও করোনামুক্ত বিশ্বের প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৬৫ জন দেখেছেন
অশান্তি ও করোনামুক্ত বিশ্বের প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পারস্পরিক সহযোগিতা ছাড়া কোন দেশের একার পক্ষে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। তাই সবার সাথে বন্ধুত্বের নীতি বজায় রেখে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। আজ শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জাতিসংঘে দেওয়া ভাষণের ৪৬ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে এসব বলেন প্রধানমন্ত্রী।

বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি ঐক্যবদ্ধভাবে করোনামুক্ত পৃথিবী গড়ার আহবানও জানান শেখ হাসিনা। এ সময় তিনি বলেন, দেশে যাতে খাদ্য সংকট দেখা না দেয়, সেজন্য খাদ্য উৎপাদন, মজুদ ও সরবরাহের প্রতি যথাসাধ্য কাজ করছে সরকার। আওয়ামী লীগ দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকায় দেশের জনগণ এর সুফল পাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

একাত্তরে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের সদস্যপদ পায় বাংলাদেশ। সে বছরের ২৫শে সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রথমবার বাংলায় ভাষণ দেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

বঙ্গবন্ধুর দেওয়া সেই ভাষণের ৪৬ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে শুক্রবার আলোচনা সভার আয়োজন করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে সভায় যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শুরুতেই ফরেন সার্ভিস একাডেমির নবনির্মিত প্রশিক্ষণ ভবনের উদ্বোধন এবং বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত দু’টি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী।

আলোচনায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, সব দেশের সাথে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক রেখে দেশকে এগিয়ে নিতে কাজ করছে তার সরকার।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি গোষ্ঠী বরাবরই দেশের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু সরকারের ওপর জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস থাকায় সব চক্রান্ত প্রতিহত করা গেছে।

শেখ হাসিনা বলেন, শান্তিপূর্ণ বিশ্ব সবারই কাম্য। করোনার মতো অতিমারি মোকাবেলায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ পদক্ষেপ নেয়ার তাগিদ দেন তিনি।

প্রাকৃতিক সম্পদের ঘাটতি থাকায় দেশের জনশক্তিকেই মূল সম্পদ হিসেবে আখ্যায়িত করেন প্রধানমন্ত্রী। অর্থনৈতিক কূটনীতিতে আরো জোর দিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতি নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এছাড়া অনুষ্ঠানে ফরেন সার্ভিস একাডেমির নতুন ভবনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। আলোচনায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জাতিসংঘে দেওয়া ভাষণের গুরুত্ব তুলে ধরেন বক্তারা। এ সময় তারা বলেন, জাতিসংঘে বাংলাদেশ তার নিজস্ব পরিচয়ে অভিষিক্ত হয়েছিল বঙ্গবন্ধুর ভাষণে।

শেয়ার করুন

আরো খবর

করোনায় সাত কোটি লোককে সহায়তা দিয়েছে সরকার

অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেছেন, করোনার অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবিলায় এ পর্যন্ত ১ লাখ ২০ হাজার ৫৩ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়। এটি মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপির) ৪ দশমিক ৩ শতাংশ।
করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রায় সাত কোটি মানুষকে সহায়তা দিয়েছে সরকার। করোনাকালীন কর্মহীনদের নগদ অর্থ, বিদেশ ফেরত প্রবাসী ও প্রান্তিক চাষিদের সহজ শর্তে ঋণ, গরিবদের কম দামে ও বিনা মূল্যে ত্রাণ বিতরণসহ অন্যান্য কর্মসূচির মাধ্যমে এ সহায়তা দেয়া হয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের তৈরি করা এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। সোমবার অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করা হয়। এ প্রতিবেদনে করোনাভাইরাস মোকাবেলায় বিভিন্ন খাতে নেয়া পদক্ষেপের অগ্রগতি তুলে ধরা হয়।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তরা বলেছেন, করোনার অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবিলায় এ পর্যন্ত ১ লাখ ২০ হাজার ৫৩ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়। এটি মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপির) ৪ দশমিক ৩ শতাংশ।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এই প্রণোদনা প্যাকেজের বড় একটি অংশ ঋণনির্ভর। এ ঋণের সদুহার কম এবং শর্ত শিথিল। এর মধ্যে শিল্প সেবার খাতের ৪০ হাজার কোটি টাকা এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের ২০ হাজার কোটি টাকার তহবিল রয়েছে। এরই মধ্যে বড় ব্যবসায়ীদের জন্য গঠিত শিল্প ও সেবা খাতের তহবিলের ৮৫ শতাংশ ঋণ বিতরণ করেছে ব্যাংকগুলো।
করোনার প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ লাখ নিম্ন আয়ের মানুষকে এককালীন নগদ ২ হাজার ৫০০ টাকা করে দিয়েছে সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেছেন, এতে খরচ হয়েছে এক হাজার কোটি টাকার বেশি।
এ ছাড়া শহরের দরিদ্র্য মানুষকে ১০ টাকা দামে চাল বিতরণ করা হয়েছে। এতে প্রায় আড়াই কোটি পরিবার উপকৃত হয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনা মহামারির মধ্যে গত অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫ দশিমক ২৪ শতাংশ। প্রবৃদ্ধির এ হার এশিয়া ও বিশ্বের অনেক উন্নত দেশের চেয়ে বেশি।
করোনার মধ্যেও গত অর্থবছরে রেকর্ড পরিমাণ প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।
অর্থবছরে দেশের দারিদ্র্য হারে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এ হার ২১ দশমিক ৮ শতাংশ থেকে কমে ২০ দশমিক ৫ শতাংশ হয়েছে। তবে অর্থনীতিবিদেরা বলেছেন, করোনায় দেশের দারিদ্র্য পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে।
করোনার প্রভাবে নতুন করে আরও আড়াই কোটি লোক দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে এসেছে। ফলে দারিদ্র্য হার আগের চেয়ে বেড়েছে বলে বলে জানান তারা।
আবু কাওসার

করোনায় সাত কোটি লোককে সহায়তা দিচ্ছে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী

করোনায় সাত কোটি লোককে সহায়তা দিয়েছে সরকার

অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেছেন, করোনার অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবিলায় এ পর্যন্ত ১ লাখ ২০ হাজার ৫৩ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়। এটি মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপির) ৪ দশমিক ৩ শতাংশ।
করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রায় সাত কোটি মানুষকে সহায়তা দিয়েছে সরকার। করোনাকালীন কর্মহীনদের নগদ অর্থ, বিদেশ ফেরত প্রবাসী ও প্রান্তিক চাষিদের সহজ শর্তে ঋণ, গরিবদের কম দামে ও বিনা মূল্যে ত্রাণ বিতরণসহ অন্যান্য কর্মসূচির মাধ্যমে এ সহায়তা দেয়া হয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের তৈরি করা এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। সোমবার অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করা হয়। এ প্রতিবেদনে করোনাভাইরাস মোকাবেলায় বিভিন্ন খাতে নেয়া পদক্ষেপের অগ্রগতি তুলে ধরা হয়।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তরা বলেছেন, করোনার অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবিলায় এ পর্যন্ত ১ লাখ ২০ হাজার ৫৩ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়। এটি মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপির) ৪ দশমিক ৩ শতাংশ।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এই প্রণোদনা প্যাকেজের বড় একটি অংশ ঋণনির্ভর। এ ঋণের সদুহার কম এবং শর্ত শিথিল। এর মধ্যে শিল্প সেবার খাতের ৪০ হাজার কোটি টাকা এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের ২০ হাজার কোটি টাকার তহবিল রয়েছে। এরই মধ্যে বড় ব্যবসায়ীদের জন্য গঠিত শিল্প ও সেবা খাতের তহবিলের ৮৫ শতাংশ ঋণ বিতরণ করেছে ব্যাংকগুলো।
করোনার প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ লাখ নিম্ন আয়ের মানুষকে এককালীন নগদ ২ হাজার ৫০০ টাকা করে দিয়েছে সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেছেন, এতে খরচ হয়েছে এক হাজার কোটি টাকার বেশি।
এ ছাড়া শহরের দরিদ্র্য মানুষকে ১০ টাকা দামে চাল বিতরণ করা হয়েছে। এতে প্রায় আড়াই কোটি পরিবার উপকৃত হয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনা মহামারির মধ্যে গত অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫ দশিমক ২৪ শতাংশ। প্রবৃদ্ধির এ হার এশিয়া ও বিশ্বের অনেক উন্নত দেশের চেয়ে বেশি।
করোনার মধ্যেও গত অর্থবছরে রেকর্ড পরিমাণ প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।
অর্থবছরে দেশের দারিদ্র্য হারে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এ হার ২১ দশমিক ৮ শতাংশ থেকে কমে ২০ দশমিক ৫ শতাংশ হয়েছে। তবে অর্থনীতিবিদেরা বলেছেন, করোনায় দেশের দারিদ্র্য পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে।
করোনার প্রভাবে নতুন করে আরও আড়াই কোটি লোক দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে এসেছে। ফলে দারিদ্র্য হার আগের চেয়ে বেড়েছে বলে বলে জানান তারা।
আবু কাওসার

করোনায় সাত কোটি লোককে সহায়তা দিচ্ছে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী