জন্মদিনে প্রধানমন্ত্রীকে ক্রিকেটারদের শুভেচ্ছা

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ১৯৬ জন দেখেছেন
জন্মদিনে প্রধানমন্ত্রীকে ক্রিকেটারদের শুভেচ্ছা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৪তম জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জাতীয় দলের বর্তমান ও সাবেক তারকা ক্রিকেটাররা। নিজেদের ফেসবুক পেজে ছবি পোস্ট তো করেছেনই পাশাপাশি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ব্যবস্থাপনায় ভিডিও বার্তায় অংশ নেন মাশরাফী-সাকিব-তামিম-মুশফিক-মুমিনুলরা।

সাবেকদের মধ্যে ছিলেন আকরাম খান, নাইমুর রহমান দুর্জয় ও খালেদ মাহমুদ সুজন। বাংলাদেশের ক্রিকেট এগিয়ে যাওয়ার পেছনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবদানের কথা তুলে ধরেন সবাই। ক্রিকেটপ্রেমী প্রধানমন্ত্রীর সুস্থতা ও দীর্ঘজীবন কামনা করেন তারা।

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে সোমবার দুপুরে বিসিবি দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে। পরে একাডেমি মাঠে এতিম শিশু ও দু:স্থদের মাঝে খাবার বিতরণ কার্যক্রমে অংশ নেন বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। ছিলেন বিসিবির কয়েকজন পরিচালকও।

ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রীকে যা বলেছেন ক্রিকেটাররা

মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা: ক্রিকেট ও ক্রিকেটারদের দুর্দিনে আপনি সবসময়েই সামনে ছিলেন এবং এগিয়ে এসেছেন। আশা করি আপনি ক্রিকেটের সঙ্গে এভাবেই থাকবেন। আপনার দীর্ঘায়ু কামনা করছি। শুভ জন্মদিন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।

সাকিব আল হাসান: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনাকে জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা। প্রথমেই আল্লাহর কাছে দোয়া করি যেন আল্লাহ দীর্ঘায়ু দান করেন। আপনি যেভাবে বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন আশা করবো আরও অনেক বছর আমাদের পথনির্দেশনা ও দিক নির্দেশনা দিয়ে যাবেন। আপনার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।

আকরাম খান: ১৯৯৬ সালে কিন্তু ক্রিকেট এত জনপ্রিয় ছিল না। আমার মনে আছে ৯৬ তে আমরা এসিসি ট্রফিতে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর আপনি আমন্ত্রণ জানিয়ে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা দিয়েছিলেন। যেটি সরকারের পক্ষ থেকে প্রথম এত বেশি টাকা পাওয়া প্রথম আমাদের জন্য। তারপর ১৯৯৭ সালের কথা তো সবারই মনে আছে। আপনি আমাদের ডেকে এনে যে অভ্যার্থনা দিয়েছিলেন।তা আমরা জীবনে ভুলতে পারব না। সবচেয়ে বড় অবদান হলো সে অনুষ্ঠানের পর প্রত্যেকের ঘরে ঘরে ক্রিকেট কী জিনিস সেটা সবাই বুঝেছিল। তারপর বাংলাদেশে ক্রিকেট এক নম্বর খেলা হিসেবে আছে এখন পর্যন্ত। আমি মনে করি বাংলাদেশ ক্রিকেটে সবারই অবদান আছে তার মধ্যে আপনার অবদান হলো অন্যাতম। আজ আপনার জন্মদিনে আপনাকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আমি এবং আমার পরিবারের পক্ষ থেকে আপনার দীর্ঘায়ু ও সুস্থ জীবন কামনা করছি।

মুশফিকুর রহিম: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনাকে জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা। আপনি সবসময় আমাদের জন্য এক অনুপ্রেরণা। তাই এই বিশেষ দিনে আপনার দীর্ঘ জীবন কামনা করছি।

নাইমুর রহমান দুর্জয়: ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর প্রথম টেস্ট খেলেছিল বাংলাদেশ। সেখানে নেতৃত্ব দেওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল আমার। কিন্তু তার আগে একটা প্রেক্ষাপট ছিল যে বাংলাদেশের টেস্ট স্ট্যাটাস প্রাপ্তি। এবং সে প্রাপ্তিতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা যিনি পালন করেছেন তিনি আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। আজ উনার জন্মদিনে সে কথাকে স্মরণ রেখে এবং বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে বিশেষ করে ক্রিকেটে এমনি আরও অনেক অবদানের ‍যিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন সেই মানুষ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমার পক্ষ থেকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা।

তামিম ইকবাল: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একজন সত্যিকারের ক্রীড়াপ্রেমি। আমাদের ভালো-খারাপ সবসময়ই তাকে আমরা পাশে পাই। শুভ জন্মদিন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। আপনি আমাদের সবসময়ের অনুপ্রেরণা।

মোস্তাফিজুর রহমান: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনাকে জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা। আপনি সবসময় আমাদের জন্য অনুপ্রেরণা। সবসময় সুস্থ থাকেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের পাশে থাকেন এই দোয়া করি।

খালেদ মাহমুদ সুজন: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনাকে জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা। আপনি যেভাবে বিগত বছরগুলোতে ক্রিকেট দলকে উৎসাহ দিয়ে গেছেন আশা করি আগামীতে সে রকম উৎসাহ আমরা পাব। পরিশেষ আপনার সুস্থ ও দীর্ঘজীবন কামনা করছি।

মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ: আপনি আমাদের সকলের জন্য অনেক বড় অনুপ্রেরণা। ইনশাআল্লাহ আপনার অনুপ্রেরণায় আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই। আপনার দীর্ঘায়ু ও সুস্থ জীবন কামনা করছি।

মুমিনুল হক: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনাকে জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা। আমরা দেশে ও দেশের বাইরে যখন খেলি আপনি সবসময়ই আমাদের খেলার খোঁজ-খবর রাখেন।এটা আমাদের জন্য অনেক বড় অনুপ্রেরণা। আপনার দীর্ঘ সুস্থ জীবন কামনা করছি।

শেয়ার করুন

আরো খবর

করোনায় সাত কোটি লোককে সহায়তা দিয়েছে সরকার

অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেছেন, করোনার অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবিলায় এ পর্যন্ত ১ লাখ ২০ হাজার ৫৩ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়। এটি মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপির) ৪ দশমিক ৩ শতাংশ।
করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রায় সাত কোটি মানুষকে সহায়তা দিয়েছে সরকার। করোনাকালীন কর্মহীনদের নগদ অর্থ, বিদেশ ফেরত প্রবাসী ও প্রান্তিক চাষিদের সহজ শর্তে ঋণ, গরিবদের কম দামে ও বিনা মূল্যে ত্রাণ বিতরণসহ অন্যান্য কর্মসূচির মাধ্যমে এ সহায়তা দেয়া হয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের তৈরি করা এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। সোমবার অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করা হয়। এ প্রতিবেদনে করোনাভাইরাস মোকাবেলায় বিভিন্ন খাতে নেয়া পদক্ষেপের অগ্রগতি তুলে ধরা হয়।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তরা বলেছেন, করোনার অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবিলায় এ পর্যন্ত ১ লাখ ২০ হাজার ৫৩ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়। এটি মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপির) ৪ দশমিক ৩ শতাংশ।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এই প্রণোদনা প্যাকেজের বড় একটি অংশ ঋণনির্ভর। এ ঋণের সদুহার কম এবং শর্ত শিথিল। এর মধ্যে শিল্প সেবার খাতের ৪০ হাজার কোটি টাকা এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের ২০ হাজার কোটি টাকার তহবিল রয়েছে। এরই মধ্যে বড় ব্যবসায়ীদের জন্য গঠিত শিল্প ও সেবা খাতের তহবিলের ৮৫ শতাংশ ঋণ বিতরণ করেছে ব্যাংকগুলো।
করোনার প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ লাখ নিম্ন আয়ের মানুষকে এককালীন নগদ ২ হাজার ৫০০ টাকা করে দিয়েছে সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেছেন, এতে খরচ হয়েছে এক হাজার কোটি টাকার বেশি।
এ ছাড়া শহরের দরিদ্র্য মানুষকে ১০ টাকা দামে চাল বিতরণ করা হয়েছে। এতে প্রায় আড়াই কোটি পরিবার উপকৃত হয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনা মহামারির মধ্যে গত অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫ দশিমক ২৪ শতাংশ। প্রবৃদ্ধির এ হার এশিয়া ও বিশ্বের অনেক উন্নত দেশের চেয়ে বেশি।
করোনার মধ্যেও গত অর্থবছরে রেকর্ড পরিমাণ প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।
অর্থবছরে দেশের দারিদ্র্য হারে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এ হার ২১ দশমিক ৮ শতাংশ থেকে কমে ২০ দশমিক ৫ শতাংশ হয়েছে। তবে অর্থনীতিবিদেরা বলেছেন, করোনায় দেশের দারিদ্র্য পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে।
করোনার প্রভাবে নতুন করে আরও আড়াই কোটি লোক দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে এসেছে। ফলে দারিদ্র্য হার আগের চেয়ে বেড়েছে বলে বলে জানান তারা।
আবু কাওসার

করোনায় সাত কোটি লোককে সহায়তা দিচ্ছে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী

করোনায় সাত কোটি লোককে সহায়তা দিয়েছে সরকার

অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেছেন, করোনার অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবিলায় এ পর্যন্ত ১ লাখ ২০ হাজার ৫৩ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়। এটি মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপির) ৪ দশমিক ৩ শতাংশ।
করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রায় সাত কোটি মানুষকে সহায়তা দিয়েছে সরকার। করোনাকালীন কর্মহীনদের নগদ অর্থ, বিদেশ ফেরত প্রবাসী ও প্রান্তিক চাষিদের সহজ শর্তে ঋণ, গরিবদের কম দামে ও বিনা মূল্যে ত্রাণ বিতরণসহ অন্যান্য কর্মসূচির মাধ্যমে এ সহায়তা দেয়া হয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের তৈরি করা এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। সোমবার অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করা হয়। এ প্রতিবেদনে করোনাভাইরাস মোকাবেলায় বিভিন্ন খাতে নেয়া পদক্ষেপের অগ্রগতি তুলে ধরা হয়।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তরা বলেছেন, করোনার অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবিলায় এ পর্যন্ত ১ লাখ ২০ হাজার ৫৩ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়। এটি মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপির) ৪ দশমিক ৩ শতাংশ।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এই প্রণোদনা প্যাকেজের বড় একটি অংশ ঋণনির্ভর। এ ঋণের সদুহার কম এবং শর্ত শিথিল। এর মধ্যে শিল্প সেবার খাতের ৪০ হাজার কোটি টাকা এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের ২০ হাজার কোটি টাকার তহবিল রয়েছে। এরই মধ্যে বড় ব্যবসায়ীদের জন্য গঠিত শিল্প ও সেবা খাতের তহবিলের ৮৫ শতাংশ ঋণ বিতরণ করেছে ব্যাংকগুলো।
করোনার প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ লাখ নিম্ন আয়ের মানুষকে এককালীন নগদ ২ হাজার ৫০০ টাকা করে দিয়েছে সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেছেন, এতে খরচ হয়েছে এক হাজার কোটি টাকার বেশি।
এ ছাড়া শহরের দরিদ্র্য মানুষকে ১০ টাকা দামে চাল বিতরণ করা হয়েছে। এতে প্রায় আড়াই কোটি পরিবার উপকৃত হয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনা মহামারির মধ্যে গত অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫ দশিমক ২৪ শতাংশ। প্রবৃদ্ধির এ হার এশিয়া ও বিশ্বের অনেক উন্নত দেশের চেয়ে বেশি।
করোনার মধ্যেও গত অর্থবছরে রেকর্ড পরিমাণ প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।
অর্থবছরে দেশের দারিদ্র্য হারে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এ হার ২১ দশমিক ৮ শতাংশ থেকে কমে ২০ দশমিক ৫ শতাংশ হয়েছে। তবে অর্থনীতিবিদেরা বলেছেন, করোনায় দেশের দারিদ্র্য পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে।
করোনার প্রভাবে নতুন করে আরও আড়াই কোটি লোক দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে এসেছে। ফলে দারিদ্র্য হার আগের চেয়ে বেড়েছে বলে বলে জানান তারা।
আবু কাওসার

করোনায় সাত কোটি লোককে সহায়তা দিচ্ছে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী