টোকিও অলিম্পিক আয়োজনে সহযোগিতা করবে আইওসি

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ১২৯ জন দেখেছেন

করোনা ভাইরাসের মধ্যেই যে কোন মূল্যে টোকিও অলিম্পিক আয়োজন করতে বদ্ধপরিকর আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি। তাই নির্ধারিত সময়ে অলিম্পিক আয়োজনে জাপানকে সব ধরনের সহযোগিতা করবে আইওসি। বৃহস্পতিবার অনলাইন আয়োজিত এক সম্মেলনে এমনটাই জানান আইওসির সভাপতি থমাস বাখ। অন্যদিকে, টোকিও অলিম্পিকের সময় করোনা ভাইরাসের ভ্যাস্কিন পাওয়া যাবে বলেও আশা ব্যক্ত করেন তিনি।

চলতি বছরের জুলাইয়ে, জাপানের টোকিওতে অলিম্পিক অনুষ্ঠিত হবার কথা ছিলো। কিন্তু করোনা মহামারির বিশ্ব অলিম্পিক কমিটি ”দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ এক বছর পিছিয়ে দেয়।

তবে, করোনা পরিস্থিতিতেও আগামী বছর নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই অলিম্পিক আয়োজনের জন্য মুখিয়ে আছে জাপান। আর তা বাস্তবায়ন করার জন্য সব রকমের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে জাপান সরকার ও তাদের অলিম্পিক কমিটি। আর আয়োজনের ব্যাপারে এর আগেই আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি থেকেও ইতিবাচক সাড়া পায় জাপান।

এবার, তার লক্ষ্যেই বৃহস্পতিবার এক অনলাইন সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। যেখানে, আইওসি এর সভাপতি থমাস বাখ, জাপান সরকার ও জাপান অলিম্পিক কমিটির সাথে বৈঠক করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই অলিম্পিক আয়োজনের কথা জানান।

আইওসি সভাপতি থমাস বাখ বলেন, আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি আমরা অনেক কঠিন একটি সময় পার করছি। স্থগিত অলিম্পিককে আবারো নতুনভাবে আয়োজন করা- এ ধরণের ঘটনা এর আগে অলিম্পিক আয়োজনের ইতিহাসে ঘটেনি। নিঃসন্দেহে এটি একটি ঐতিহাসিক অলিম্পিকের অংশ হতে যাচ্ছে ।

অন্যদিকে, অলিম্পিকে অংশ নেয়া অ্যাথলেটদের স্বাস্থ্যবিধির বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব দেবে বলে, আগেই জানায় স্বাগতিক দেশ জাপান। আর এবার আশার আলো জাগালো আইওসি সভাপতি। খুব দ্রুতই করোনা ভাইরাসের ভ্যাক্সিন পাওয়া যাবে বলে জানালেন সভাপতি।

আইওসি সভাপতি থমাস বাখ বলেন, আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি আমরা আশা করছি আগামী বছরের মাঝামাঝিতেই পর্যাপ্ত পরিমাণ করোনা ভাইরাসের ভ্যাস্কিন আমরা পেয়ে যাবো। আর তখন হয়তো টোকিও অলিম্পিকের জন্যও ভ্যাক্সিন আমাদের হাতে থাকবে। তবে এটাও সত্যি যে, এখন অনেক মেজর টুর্নামেন্ট।

এছাড়া, নির্ধারিত সময়ে অলিম্পিক আয়োজনে জাপানকে সব ধরনের সহযোগিতা করবে আইওসি। এমনকি, অলিম্পিক আয়োজনকে বাস্তবায়ন করতে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে জাপানের সাথে কাজ করবে বলেও আশ্বাস দেন সভাপতি।

আইওসি সভাপতি থমাস বাখ বলেন, আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি আমাদের এখন মূল দায়িত্ব একসাথে কাজ করা। যেহেতু আমাদের লক্ষ্য একটাই, অলিম্পিককে নির্ধারিত সময়ে আয়োজন করা। আর টোকিও অলিম্পিক কমিটি ও আমরা সেই পথেই হাঁটছি।

চলতি বছরের জুলাইয়ে টোকিও অলিম্পিক অনুষ্ঠিত হবার কথা ছিলো। করোনা মহামারির কারণে তা পিছিয়ে ২০২১ সালের ২৩ জুলাই নির্ধারণ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

আরো খবর

করোনায় সাত কোটি লোককে সহায়তা দিয়েছে সরকার

অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেছেন, করোনার অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবিলায় এ পর্যন্ত ১ লাখ ২০ হাজার ৫৩ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়। এটি মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপির) ৪ দশমিক ৩ শতাংশ।
করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রায় সাত কোটি মানুষকে সহায়তা দিয়েছে সরকার। করোনাকালীন কর্মহীনদের নগদ অর্থ, বিদেশ ফেরত প্রবাসী ও প্রান্তিক চাষিদের সহজ শর্তে ঋণ, গরিবদের কম দামে ও বিনা মূল্যে ত্রাণ বিতরণসহ অন্যান্য কর্মসূচির মাধ্যমে এ সহায়তা দেয়া হয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের তৈরি করা এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। সোমবার অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করা হয়। এ প্রতিবেদনে করোনাভাইরাস মোকাবেলায় বিভিন্ন খাতে নেয়া পদক্ষেপের অগ্রগতি তুলে ধরা হয়।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তরা বলেছেন, করোনার অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবিলায় এ পর্যন্ত ১ লাখ ২০ হাজার ৫৩ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়। এটি মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপির) ৪ দশমিক ৩ শতাংশ।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এই প্রণোদনা প্যাকেজের বড় একটি অংশ ঋণনির্ভর। এ ঋণের সদুহার কম এবং শর্ত শিথিল। এর মধ্যে শিল্প সেবার খাতের ৪০ হাজার কোটি টাকা এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের ২০ হাজার কোটি টাকার তহবিল রয়েছে। এরই মধ্যে বড় ব্যবসায়ীদের জন্য গঠিত শিল্প ও সেবা খাতের তহবিলের ৮৫ শতাংশ ঋণ বিতরণ করেছে ব্যাংকগুলো।
করোনার প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ লাখ নিম্ন আয়ের মানুষকে এককালীন নগদ ২ হাজার ৫০০ টাকা করে দিয়েছে সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেছেন, এতে খরচ হয়েছে এক হাজার কোটি টাকার বেশি।
এ ছাড়া শহরের দরিদ্র্য মানুষকে ১০ টাকা দামে চাল বিতরণ করা হয়েছে। এতে প্রায় আড়াই কোটি পরিবার উপকৃত হয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনা মহামারির মধ্যে গত অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫ দশিমক ২৪ শতাংশ। প্রবৃদ্ধির এ হার এশিয়া ও বিশ্বের অনেক উন্নত দেশের চেয়ে বেশি।
করোনার মধ্যেও গত অর্থবছরে রেকর্ড পরিমাণ প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।
অর্থবছরে দেশের দারিদ্র্য হারে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এ হার ২১ দশমিক ৮ শতাংশ থেকে কমে ২০ দশমিক ৫ শতাংশ হয়েছে। তবে অর্থনীতিবিদেরা বলেছেন, করোনায় দেশের দারিদ্র্য পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে।
করোনার প্রভাবে নতুন করে আরও আড়াই কোটি লোক দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে এসেছে। ফলে দারিদ্র্য হার আগের চেয়ে বেড়েছে বলে বলে জানান তারা।
আবু কাওসার

করোনায় সাত কোটি লোককে সহায়তা দিচ্ছে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী

করোনায় সাত কোটি লোককে সহায়তা দিয়েছে সরকার

অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেছেন, করোনার অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবিলায় এ পর্যন্ত ১ লাখ ২০ হাজার ৫৩ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়। এটি মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপির) ৪ দশমিক ৩ শতাংশ।
করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রায় সাত কোটি মানুষকে সহায়তা দিয়েছে সরকার। করোনাকালীন কর্মহীনদের নগদ অর্থ, বিদেশ ফেরত প্রবাসী ও প্রান্তিক চাষিদের সহজ শর্তে ঋণ, গরিবদের কম দামে ও বিনা মূল্যে ত্রাণ বিতরণসহ অন্যান্য কর্মসূচির মাধ্যমে এ সহায়তা দেয়া হয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের তৈরি করা এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। সোমবার অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করা হয়। এ প্রতিবেদনে করোনাভাইরাস মোকাবেলায় বিভিন্ন খাতে নেয়া পদক্ষেপের অগ্রগতি তুলে ধরা হয়।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তরা বলেছেন, করোনার অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবিলায় এ পর্যন্ত ১ লাখ ২০ হাজার ৫৩ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়। এটি মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপির) ৪ দশমিক ৩ শতাংশ।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এই প্রণোদনা প্যাকেজের বড় একটি অংশ ঋণনির্ভর। এ ঋণের সদুহার কম এবং শর্ত শিথিল। এর মধ্যে শিল্প সেবার খাতের ৪০ হাজার কোটি টাকা এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের ২০ হাজার কোটি টাকার তহবিল রয়েছে। এরই মধ্যে বড় ব্যবসায়ীদের জন্য গঠিত শিল্প ও সেবা খাতের তহবিলের ৮৫ শতাংশ ঋণ বিতরণ করেছে ব্যাংকগুলো।
করোনার প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ লাখ নিম্ন আয়ের মানুষকে এককালীন নগদ ২ হাজার ৫০০ টাকা করে দিয়েছে সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেছেন, এতে খরচ হয়েছে এক হাজার কোটি টাকার বেশি।
এ ছাড়া শহরের দরিদ্র্য মানুষকে ১০ টাকা দামে চাল বিতরণ করা হয়েছে। এতে প্রায় আড়াই কোটি পরিবার উপকৃত হয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনা মহামারির মধ্যে গত অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫ দশিমক ২৪ শতাংশ। প্রবৃদ্ধির এ হার এশিয়া ও বিশ্বের অনেক উন্নত দেশের চেয়ে বেশি।
করোনার মধ্যেও গত অর্থবছরে রেকর্ড পরিমাণ প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।
অর্থবছরে দেশের দারিদ্র্য হারে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এ হার ২১ দশমিক ৮ শতাংশ থেকে কমে ২০ দশমিক ৫ শতাংশ হয়েছে। তবে অর্থনীতিবিদেরা বলেছেন, করোনায় দেশের দারিদ্র্য পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে।
করোনার প্রভাবে নতুন করে আরও আড়াই কোটি লোক দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে এসেছে। ফলে দারিদ্র্য হার আগের চেয়ে বেড়েছে বলে বলে জানান তারা।
আবু কাওসার

করোনায় সাত কোটি লোককে সহায়তা দিচ্ছে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী