‘ভালোবাসার প্রজাপতি’ চলচ্চিত্রে নবাগত প্রিয়মনি

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৬৩ জন দেখেছেন
‘ভালোবাসার প্রজাপতি’ চলচ্চিত্রে নবাগত প্রিয়মনি

ঢাকাই চলচ্চিত্রের নবাগত নায়িকা প্রিয়মনি। সম্প্রতি তিনি ‘ভালোবাসার প্রজাপতি’ নামের নতুন একটি ছবিতে অভিনয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। এরই মধ্যে ছবিটির শুটিংয়েও অংশ নিয়েছেন তিনি। এতে প্রিয়মনির বিপরীতে অভিনয় করছেন শিপন মিত্র।

‘ভালোবাসার প্রজাপতি’ ছবিটি পরিচালনা করছেন রাজু আলীম ও মাসুমা তানি। ইমপ্রেস টেলিফিল্ম প্রযোজিত এ ছবিটির গল্প লিখেছেন রাজু আলীম আর চিত্রনাট্য রচনা করেছেন খালিদ মাহবুব তুর্য। গত ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে ছবিটির শুটিং।

এই ছবিতে প্রিয়মনি-শিপন আরও অভিনয় করেছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার প্রাপ্ত অভিনেত্রী সাদিকা পারভিন পপি, অভিনেতা, প্রযোজক ও পরিচালক রাজু আলীম, লাক্স তারকা তানিন তানহা, ডিজে সোনিকাসহ আরও অনেকে।

চলচ্চিত্রে আসার আগে থেকেই পপির ভক্ত নবাগত প্রিয়মনি। তার চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরুটা হলো নায়িকা পপির সঙ্গেই। অবশেষে তার স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। তিনি নির্মাতাদের কাছে কৃতজ্ঞ প্রকাশ করেন।

এ প্রসঙ্গে নবাগত প্রিয়মনি বলেন, ‘চলচ্চিত্রে কাজ শুরুর অনেক আগে থেকেই পপি আপুর সাথে কাজ করার ইচ্ছা ছিল। কারণ তিনি আমার অনেক পছন্দের অভিনেত্রী। অবশেষে সে স্বপ্ন পূরণ হয়েছে এবং এটা আমার জন্য কতটা ভালো লাগার তা আসলে ভাষায় প্রকাশের নয়। আমি নির্মাতাদের কাছে কৃতজ্ঞ আমাকে এমন একটি সুযোগ দেয়ার জন্য। আমি এই ছবিটি অনেক আশাবাদী।

‘ভালোবাসার প্রজাপতি’ ছবিটি নিয়ে নবাগত প্রিয়মনি বলেন, ‘ছবিটির গল্প আমার অনেক ভালো লেগেছে। দর্শকদেরও ভালো লাগবে বলে আমার বিশ্বাস। ‘ভালোবাসার প্রজাপতি’ ছবিটি আমার ক্যারিয়ারের টার্নিং পয়েন্ট হতে পারে। কারণ, এই ছবিতে নিজেদের প্রমাণ করার সুযোগ আছে। যে কোন ধরনের ভালো চরিত্রে অভিনয়ের ক্ষেত্রে আমি সবসময়ই প্রস্তুত।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভিন্নধর্মী ভালো গল্পের নিরিক্ষাধর্মী ও চ্যালেঞ্জিং যে কোনো ধরনের চরিত্রে আমি অভিনয় করতে চাই। একই সঙ্গে বাণিজ্যিক ও গল্প নির্ভর সব ধরনের সিনেমাতেও আমি নিয়মিত অভিনয় করতে চাই। আমি সবসময় দর্শকের চাহিদাকেই প্রাধান্য দিতে চাই। একটা নির্দিষ্ট গন্ডি বা ক্যাটাগরিতে আটকে থেকে নিজের দক্ষতা প্রমানের সুযোগ কম তাই নিজেকে বারবার ভাঙতে আপত্তি নাই আমার।’

শেয়ার করুন

আরো খবর

করোনায় সাত কোটি লোককে সহায়তা দিয়েছে সরকার

অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেছেন, করোনার অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবিলায় এ পর্যন্ত ১ লাখ ২০ হাজার ৫৩ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়। এটি মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপির) ৪ দশমিক ৩ শতাংশ।
করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রায় সাত কোটি মানুষকে সহায়তা দিয়েছে সরকার। করোনাকালীন কর্মহীনদের নগদ অর্থ, বিদেশ ফেরত প্রবাসী ও প্রান্তিক চাষিদের সহজ শর্তে ঋণ, গরিবদের কম দামে ও বিনা মূল্যে ত্রাণ বিতরণসহ অন্যান্য কর্মসূচির মাধ্যমে এ সহায়তা দেয়া হয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের তৈরি করা এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। সোমবার অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করা হয়। এ প্রতিবেদনে করোনাভাইরাস মোকাবেলায় বিভিন্ন খাতে নেয়া পদক্ষেপের অগ্রগতি তুলে ধরা হয়।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তরা বলেছেন, করোনার অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবিলায় এ পর্যন্ত ১ লাখ ২০ হাজার ৫৩ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়। এটি মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপির) ৪ দশমিক ৩ শতাংশ।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এই প্রণোদনা প্যাকেজের বড় একটি অংশ ঋণনির্ভর। এ ঋণের সদুহার কম এবং শর্ত শিথিল। এর মধ্যে শিল্প সেবার খাতের ৪০ হাজার কোটি টাকা এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের ২০ হাজার কোটি টাকার তহবিল রয়েছে। এরই মধ্যে বড় ব্যবসায়ীদের জন্য গঠিত শিল্প ও সেবা খাতের তহবিলের ৮৫ শতাংশ ঋণ বিতরণ করেছে ব্যাংকগুলো।
করোনার প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ লাখ নিম্ন আয়ের মানুষকে এককালীন নগদ ২ হাজার ৫০০ টাকা করে দিয়েছে সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেছেন, এতে খরচ হয়েছে এক হাজার কোটি টাকার বেশি।
এ ছাড়া শহরের দরিদ্র্য মানুষকে ১০ টাকা দামে চাল বিতরণ করা হয়েছে। এতে প্রায় আড়াই কোটি পরিবার উপকৃত হয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনা মহামারির মধ্যে গত অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫ দশিমক ২৪ শতাংশ। প্রবৃদ্ধির এ হার এশিয়া ও বিশ্বের অনেক উন্নত দেশের চেয়ে বেশি।
করোনার মধ্যেও গত অর্থবছরে রেকর্ড পরিমাণ প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।
অর্থবছরে দেশের দারিদ্র্য হারে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এ হার ২১ দশমিক ৮ শতাংশ থেকে কমে ২০ দশমিক ৫ শতাংশ হয়েছে। তবে অর্থনীতিবিদেরা বলেছেন, করোনায় দেশের দারিদ্র্য পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে।
করোনার প্রভাবে নতুন করে আরও আড়াই কোটি লোক দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে এসেছে। ফলে দারিদ্র্য হার আগের চেয়ে বেড়েছে বলে বলে জানান তারা।
আবু কাওসার

করোনায় সাত কোটি লোককে সহায়তা দিচ্ছে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী

করোনায় সাত কোটি লোককে সহায়তা দিয়েছে সরকার

অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেছেন, করোনার অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবিলায় এ পর্যন্ত ১ লাখ ২০ হাজার ৫৩ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়। এটি মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপির) ৪ দশমিক ৩ শতাংশ।
করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রায় সাত কোটি মানুষকে সহায়তা দিয়েছে সরকার। করোনাকালীন কর্মহীনদের নগদ অর্থ, বিদেশ ফেরত প্রবাসী ও প্রান্তিক চাষিদের সহজ শর্তে ঋণ, গরিবদের কম দামে ও বিনা মূল্যে ত্রাণ বিতরণসহ অন্যান্য কর্মসূচির মাধ্যমে এ সহায়তা দেয়া হয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের তৈরি করা এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। সোমবার অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করা হয়। এ প্রতিবেদনে করোনাভাইরাস মোকাবেলায় বিভিন্ন খাতে নেয়া পদক্ষেপের অগ্রগতি তুলে ধরা হয়।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তরা বলেছেন, করোনার অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবিলায় এ পর্যন্ত ১ লাখ ২০ হাজার ৫৩ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়। এটি মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপির) ৪ দশমিক ৩ শতাংশ।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এই প্রণোদনা প্যাকেজের বড় একটি অংশ ঋণনির্ভর। এ ঋণের সদুহার কম এবং শর্ত শিথিল। এর মধ্যে শিল্প সেবার খাতের ৪০ হাজার কোটি টাকা এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের ২০ হাজার কোটি টাকার তহবিল রয়েছে। এরই মধ্যে বড় ব্যবসায়ীদের জন্য গঠিত শিল্প ও সেবা খাতের তহবিলের ৮৫ শতাংশ ঋণ বিতরণ করেছে ব্যাংকগুলো।
করোনার প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ লাখ নিম্ন আয়ের মানুষকে এককালীন নগদ ২ হাজার ৫০০ টাকা করে দিয়েছে সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেছেন, এতে খরচ হয়েছে এক হাজার কোটি টাকার বেশি।
এ ছাড়া শহরের দরিদ্র্য মানুষকে ১০ টাকা দামে চাল বিতরণ করা হয়েছে। এতে প্রায় আড়াই কোটি পরিবার উপকৃত হয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনা মহামারির মধ্যে গত অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫ দশিমক ২৪ শতাংশ। প্রবৃদ্ধির এ হার এশিয়া ও বিশ্বের অনেক উন্নত দেশের চেয়ে বেশি।
করোনার মধ্যেও গত অর্থবছরে রেকর্ড পরিমাণ প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।
অর্থবছরে দেশের দারিদ্র্য হারে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এ হার ২১ দশমিক ৮ শতাংশ থেকে কমে ২০ দশমিক ৫ শতাংশ হয়েছে। তবে অর্থনীতিবিদেরা বলেছেন, করোনায় দেশের দারিদ্র্য পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে।
করোনার প্রভাবে নতুন করে আরও আড়াই কোটি লোক দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে এসেছে। ফলে দারিদ্র্য হার আগের চেয়ে বেড়েছে বলে বলে জানান তারা।
আবু কাওসার

করোনায় সাত কোটি লোককে সহায়তা দিচ্ছে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী