সুয়ারেজের এমন বিদায়ে ক্ষুব্ধ মেসি

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৪৮ জন দেখেছেন

তারকা স্ট্রাইকার লুইস সুয়ারেজের বিদায়ের পর আরেক দফা বার্সেলোনা কর্তৃপক্ষের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন ক্লাবটির মহাতারকা লিওনেল মেসি। ক্লাব ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই ফুটবলারকে ‘ধাক্কা’ দিয়ে বের করে দেয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি।

গেল মৌসুমে শিরোপাহীন থাকার পর ক্লাব ছাড়তে চেয়েছিলেন মেসি নিজেই। তবে ৬ বারের ব্যালন ডি অর জয়ী তারকাকে আটকে রাখতে সক্ষম হয় বার্সা। চুক্তি অনুযায়ী আরো ১ বছর ক্লাবটিতে থাকতে রাজি হন বিশ্বসেরা ফুটবলার।

তার ঠিক উল্টোটা ঘটেছে সুয়ারেজের সঙ্গে। ক্লাবটির সর্বকালের তৃতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতাকে একপ্রকার জোর করেই বের করে দিয়েছে বার্সা কর্তৃপক্ষ। সুয়ারেজ জানিয়েছিলেন, যে কোনো মূল্যে ক্লাবটিতে থাকতে চান তিনি। প্রয়োজনে বসে থাকবেন বেঞ্চে, তবু থাকতে চান বার্সেলোনায়ই।

তার এমন ইচ্ছেকে পাত্তা দেয়নি বার্সা। নতুন কোচ রোনাল্ড কোম্যান দায়িত্ব নেয়ার পরপরই ফোনকলে সুয়ারেজকে জানিয়ে দেন, বার্সায় তার দিন শেষ।

প্রায় মাসখানেকের প্রচেষ্টার পর অবশেষে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদে সুয়ারেজকে বিক্রি করে দিয়েছে কাতালানরা।

তার আগে ৬ বছর কাটিয়েছেন বার্সেলোনায়। মেসি-নেইমারদের সঙ্গে গড়েছেন বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর আক্রমনভাগ। গোলের পর গোল করে হয়েছেন ক্লাবটির ইতিহাসের অন্যতম সেরা স্ট্রাইকার। এমন একজনকে কি এভাবে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দিতে পারে ক্লাব? অন্ততঃ মেসির উত্তর, না।

জবাব দেয়ার জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইন্সটাগ্রামকে বেছে নিয়েছেন বিশ্বসেরা ফুটবলার। এক আবেগি বার্তায় তিনি লিখেছেন, এরইমধ্যে আমি কল্পনা করা শুরু করেছিলাম দৃশ্যটা কেমন হবে। তারপরও আজ যখন ড্রেসিংরুমে ঢুকলাম, সত্যিই খুব খারাপ লাগছিলো। সবকিছু ফাঁকা মনে হচ্ছিলো। মাঠ এবং মাঠের বাইরে প্রত্যেকটা দিন তোমাকে ছাড়া কাটানো সত্যিই খুব কঠিন হবে লুইস। আমরা তাকে খুব বেশি মিস করতে যাচ্ছি। আমরা একসঙ্গে অনেকগুলো বছর কাটিয়েছি, অনেক লাঞ্চ-ডিনার করেছি একসঙ্গে। আমাদের কাটানো প্রতিটি মুহূর্ত, অনেক অনেক মজার স্মৃতি আছে।

এরপর ক্লাব কর্তৃপক্ষের ওপর ক্ষোভ ঝাড়েন লিও। তিনি লিখেন, অন্য জার্সিতে তোমাকে খুব অদ্ভূতুড়ে দেখাবে এবং তোমার বিপক্ষে খেলা খুব কঠিন হবে। একটা আনুষ্ঠানিক বিদায় তোমার প্রাপ্য। তুমি ক্লাবটির ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার, ক্লাবের হয়ে অনেককিছু জিতেছ। যেভাবে তারা তোমাকে ছুঁড়ে ফেলেছে, সেটি কোনোভাবেই তোমার প্রাপ্য ছিল না। কিন্তু এই পর্যায়ে কোনোকিছুই আর আমাকে অবাক করেনা।

মাঠ এবং মাঠের বাইরে মেসি এবং সুয়ারেজের বন্ধুত্ব সবার জানাই। দু’জনের অমন সুসম্পর্কের সুবাদেই তো কতোগুলো ট্রফি জমা পড়েছে বার্সার শোকেসে। বন্ধুর বিদায়ে এবার একাই হয়ে পড়লেন মেসি!

শেয়ার করুন

আরো খবর

করোনায় সাত কোটি লোককে সহায়তা দিয়েছে সরকার

অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেছেন, করোনার অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবিলায় এ পর্যন্ত ১ লাখ ২০ হাজার ৫৩ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়। এটি মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপির) ৪ দশমিক ৩ শতাংশ।
করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রায় সাত কোটি মানুষকে সহায়তা দিয়েছে সরকার। করোনাকালীন কর্মহীনদের নগদ অর্থ, বিদেশ ফেরত প্রবাসী ও প্রান্তিক চাষিদের সহজ শর্তে ঋণ, গরিবদের কম দামে ও বিনা মূল্যে ত্রাণ বিতরণসহ অন্যান্য কর্মসূচির মাধ্যমে এ সহায়তা দেয়া হয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের তৈরি করা এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। সোমবার অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করা হয়। এ প্রতিবেদনে করোনাভাইরাস মোকাবেলায় বিভিন্ন খাতে নেয়া পদক্ষেপের অগ্রগতি তুলে ধরা হয়।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তরা বলেছেন, করোনার অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবিলায় এ পর্যন্ত ১ লাখ ২০ হাজার ৫৩ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়। এটি মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপির) ৪ দশমিক ৩ শতাংশ।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এই প্রণোদনা প্যাকেজের বড় একটি অংশ ঋণনির্ভর। এ ঋণের সদুহার কম এবং শর্ত শিথিল। এর মধ্যে শিল্প সেবার খাতের ৪০ হাজার কোটি টাকা এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের ২০ হাজার কোটি টাকার তহবিল রয়েছে। এরই মধ্যে বড় ব্যবসায়ীদের জন্য গঠিত শিল্প ও সেবা খাতের তহবিলের ৮৫ শতাংশ ঋণ বিতরণ করেছে ব্যাংকগুলো।
করোনার প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ লাখ নিম্ন আয়ের মানুষকে এককালীন নগদ ২ হাজার ৫০০ টাকা করে দিয়েছে সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেছেন, এতে খরচ হয়েছে এক হাজার কোটি টাকার বেশি।
এ ছাড়া শহরের দরিদ্র্য মানুষকে ১০ টাকা দামে চাল বিতরণ করা হয়েছে। এতে প্রায় আড়াই কোটি পরিবার উপকৃত হয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনা মহামারির মধ্যে গত অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫ দশিমক ২৪ শতাংশ। প্রবৃদ্ধির এ হার এশিয়া ও বিশ্বের অনেক উন্নত দেশের চেয়ে বেশি।
করোনার মধ্যেও গত অর্থবছরে রেকর্ড পরিমাণ প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।
অর্থবছরে দেশের দারিদ্র্য হারে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এ হার ২১ দশমিক ৮ শতাংশ থেকে কমে ২০ দশমিক ৫ শতাংশ হয়েছে। তবে অর্থনীতিবিদেরা বলেছেন, করোনায় দেশের দারিদ্র্য পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে।
করোনার প্রভাবে নতুন করে আরও আড়াই কোটি লোক দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে এসেছে। ফলে দারিদ্র্য হার আগের চেয়ে বেড়েছে বলে বলে জানান তারা।
আবু কাওসার

করোনায় সাত কোটি লোককে সহায়তা দিচ্ছে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী

করোনায় সাত কোটি লোককে সহায়তা দিয়েছে সরকার

অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেছেন, করোনার অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবিলায় এ পর্যন্ত ১ লাখ ২০ হাজার ৫৩ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়। এটি মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপির) ৪ দশমিক ৩ শতাংশ।
করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রায় সাত কোটি মানুষকে সহায়তা দিয়েছে সরকার। করোনাকালীন কর্মহীনদের নগদ অর্থ, বিদেশ ফেরত প্রবাসী ও প্রান্তিক চাষিদের সহজ শর্তে ঋণ, গরিবদের কম দামে ও বিনা মূল্যে ত্রাণ বিতরণসহ অন্যান্য কর্মসূচির মাধ্যমে এ সহায়তা দেয়া হয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের তৈরি করা এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। সোমবার অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করা হয়। এ প্রতিবেদনে করোনাভাইরাস মোকাবেলায় বিভিন্ন খাতে নেয়া পদক্ষেপের অগ্রগতি তুলে ধরা হয়।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তরা বলেছেন, করোনার অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবিলায় এ পর্যন্ত ১ লাখ ২০ হাজার ৫৩ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়। এটি মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপির) ৪ দশমিক ৩ শতাংশ।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এই প্রণোদনা প্যাকেজের বড় একটি অংশ ঋণনির্ভর। এ ঋণের সদুহার কম এবং শর্ত শিথিল। এর মধ্যে শিল্প সেবার খাতের ৪০ হাজার কোটি টাকা এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের ২০ হাজার কোটি টাকার তহবিল রয়েছে। এরই মধ্যে বড় ব্যবসায়ীদের জন্য গঠিত শিল্প ও সেবা খাতের তহবিলের ৮৫ শতাংশ ঋণ বিতরণ করেছে ব্যাংকগুলো।
করোনার প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ লাখ নিম্ন আয়ের মানুষকে এককালীন নগদ ২ হাজার ৫০০ টাকা করে দিয়েছে সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেছেন, এতে খরচ হয়েছে এক হাজার কোটি টাকার বেশি।
এ ছাড়া শহরের দরিদ্র্য মানুষকে ১০ টাকা দামে চাল বিতরণ করা হয়েছে। এতে প্রায় আড়াই কোটি পরিবার উপকৃত হয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনা মহামারির মধ্যে গত অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫ দশিমক ২৪ শতাংশ। প্রবৃদ্ধির এ হার এশিয়া ও বিশ্বের অনেক উন্নত দেশের চেয়ে বেশি।
করোনার মধ্যেও গত অর্থবছরে রেকর্ড পরিমাণ প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।
অর্থবছরে দেশের দারিদ্র্য হারে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এ হার ২১ দশমিক ৮ শতাংশ থেকে কমে ২০ দশমিক ৫ শতাংশ হয়েছে। তবে অর্থনীতিবিদেরা বলেছেন, করোনায় দেশের দারিদ্র্য পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে।
করোনার প্রভাবে নতুন করে আরও আড়াই কোটি লোক দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে এসেছে। ফলে দারিদ্র্য হার আগের চেয়ে বেড়েছে বলে বলে জানান তারা।
আবু কাওসার

করোনায় সাত কোটি লোককে সহায়তা দিচ্ছে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী